গত ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ইং তারিখে রাত সাড়ে এগারো টার সময় পটুয়াখালীর বসাকবাজার এলাকায় সিএনজি ও বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে সিএনজিতে থাকা পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলারা টিয়াখালী ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের মধ্যটিয়াখালী গ্রামের বাসিন্দা মোসাঃ সামসুন্নাহার , নুন্নাহার বেগম, হাফেজ মো: জায়েদ মারাত্মক ভাবে আহত হয়ে পটুয়াখালী সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হলে হাসপাতাল কতৃপক্ষ অবস্থা গুরুতর দেখে সামসুন্নাহার এবং হাফেজ মোঃ জায়েদ কে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে। বরিশাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কতৃপক্ষ মোঃ সামসুন্নাহার কে উন্নত চিকিৎসা জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায় সেখান থেকে রেফার করে ঢাকা বার্ন ইউনিট ও প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগে পাঠায় বর্তমানে ৫১৯ নং ওয়ার্ডের ১০ নং ওয়ার্ডে কাতরাচ্ছেন সামসুন্নাহার। তার বাম পায়ের পুরোটাই থেতলে বাম পা থেকে সম্পূর্ণ মাংস থেতলে যায়। মেডিকেল খরচ অনুযায়ী তার বর্তমান প্রায় ৭০ হাজার এর অধিক টাকা খরচ হয়েছে।হাসপাতাল কতৃপক্ষ জানিয়েছেন আরো তিনমাস ভর্তি থাকতে হবে। এতে আনুমানিক ৩ লক্ষ থেকে সাড়ে তিন লক্ষ টাকা খরচ হতে পারে। আহত হাফেজ মোঃ জায়েদ এবং নুন্নাহার বেগম ২০ হাজার টাকা ব্যয় টাকা দিয়ে বরিশাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষ করলেও অর্থের অভাবে চিকিৎসা শেষ করতে পারে নি । ঢাকা বার্ন এ ভর্তি সামসুন্নাহার এর ও টাকার অভাবে চিকিৎসা কার্যক্রম বন্ধ হওয়ার পথে। তিনজন সম্পর্কে আত্মীয়স্বজন হওয়ায় দরিদ্র ফ্যামিলির জন্য বর্তমানে চিকিৎসা কার্যক্রম প্রায় বন্ধ হওয়ার পথে । পঙ্গু হতে যাওয়া সামসুন্নাহার এর ছেলে শাকিরুল ইসলাম শাকুর জানান , বর্তমানে আমার মায়ের চিকিৎসা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে এত টাকা আমাদের মত পরিবারের পক্ষে বহন করা সম্ভব নয় এমতাবস্থায় পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক এর সহযোগিতা ব্যতীত আর কোন উপায় নেই ।