মৌলভীবাজার সদর উপজেলার ১২ নম্বর গিয়াসনগর ইউনিয়নের মোকামবাজারে সন্দেহভাজন অনুমোদনহীন ওষুধ বিক্রির অভিযোগে এক ব্যক্তিকে স্থানীয় জনতা আটক করে বাজার কমিটির সভাপতি আতাউর রহমানের কাছে নিয়ে যায়।
আতাউর রহমান অভিযোগ করেন, আটক ব্যক্তি ওষুধ বিক্রির কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি এবং তিনি নিবন্ধিত চিকিৎসক নন। স্থানীয় প্রাথমিক চিকিৎসক কনক পাল বলেন, জব্দ করা ওষুধগুলোর উৎস ও বৈধতা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে এবং অজানা উৎসের ওষুধ জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, আটক ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন হাট-বাজার ও চা-বাগান এলাকায় এ ধরনের ওষুধ বিক্রি করে আসছিলেন। তবে এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
পরে বাজার কমিটি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে আটক ব্যক্তির কাছ থেকে নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে লিখিত অঙ্গীকারনামা নেওয়া হয় যে, তিনি ভবিষ্যতে এ ধরনের ওষুধ বিক্রি করবেন না।
আতাউর রহমান বলেন, "শুধু মোকামবাজার নয়, সারা দেশের মানুষের প্রতি আহ্বান—রাস্তাঘাটে বা ভ্রাম্যমাণভাবে বিক্রি হওয়া অজানা উৎসের ওষুধ কিনবেন না। নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এবং লাইসেন্সপ্রাপ্ত ফার্মেসি থেকেই ওষুধ সংগ্রহ করুন।"
উল্লেখ্য, আতাউর রহমান ১২ নম্বর গিয়াসনগর ইউনিয়নের মরহুম চেয়ারম্যান জমশেদ আহমদের ছোট ভাই। স্থানীয় অনেক বাসিন্দার মতে, তিনি একজন সমাজসেবী ও জনবান্ধব ব্যক্তি।