আজ মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকালে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
নিহত আরিফুল ইসলাম ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার রসুল্লাবাদ ইউনিয়নের দাররা গ্রামের সরকার বাড়ির মো. আজিজুল ইসলাম কান্দু ও লাকী বেগমের একমাত্র ছেলে। তিনি ঢাকার খিলক্ষেত এলাকায় স্ত্রী ও সন্তান নিয়ে বসবাস করতেন এবং ‘ইলেকট্রনিক প্লাস’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের ঠিকাদারি কাজের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
পরিবার ও রেলওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে কাজের উদ্দেশ্যে হবিগঞ্জের পিটিআই স্কুলে যাওয়ার জন্য তিনি ঢাকা থেকে পারাবত এক্সপ্রেস ট্রেনে যাত্রা করেন। তবে টিকিট না পাওয়ায় তিনি ট্রেনের ছাদে উঠে ভ্রমণ করছিলেন। পথে ভৈরবের পুরাতন রেলসেতু এলাকায় পৌঁছালে সেতুর সঙ্গে তার মাথার প্রচণ্ড আঘাত লাগে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
দুর্ঘটনার পর ট্রেনটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছালে তাকে দ্রুত উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. শাহ আলম মিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ট্রেনের ছাদে ভ্রমণের সময় ব্রিজের সঙ্গে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে আরিফুল ইসলামের মৃত্যু হয়েছে। পরিচয় শনাক্ত হওয়ার পর এবং পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় মানবিক বিবেচনায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, যাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থে ট্রেনের ছাদে ভ্রমণ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হচ্ছে।