কসবায় জিয়া সাইবার ফোর্স এর দপ্তর সম্পাদক - রামিম খান টিটুর ওপর অতর্কিত হামলায় কুটি বাজারে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার কুটি বাজারে বিএনপির দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার মধ্যে জিয়া সাইবার ফোর্স (জেডসিএফ) কসবা উপজেলা শাখার দপ্তর সম্পাদক রামিম খান টিটুর ওপর অতর্কিত হামলার অভিযোগ উঠেছে। একই পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় প্রশাসন জারি করা আছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একই স্থান ও সময়ে বিএনপির দুই পক্ষ পৃথক কর্মসূচি ঘোষণা করলে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এক পক্ষ আনন্দ র্যালি এবং অপর পক্ষ সংবর্ধনা ও আলোচনা সভার আয়োজন করে। এ নিয়ে সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকায় প্রশাসন বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত কুটি দক্ষিণ বাজার ও আশপাশের এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে। এ সময় সকল ধরনের সভা-সমাবেশ, মিছিল ও গণজমায়েত নিষিদ্ধ করা হয় এবং অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
এ ঘটনার পরদিন জিয়া সাইবার ফোর্স (জেডসিএফ) কসবা উপজেলা শাখার দপ্তর সম্পাদক রামিম খান টিটুর ওপর অতর্কিত হামলার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় তিনি আহত হন বলে জানা গেছে। হামলার ঘটনায় সংগঠনটির সভাপতি মুহাম্মদ রাজু আহম্মেদ এবং সাধারণ সম্পাদক আলী এরশাদ এক যৌথ বিবৃতিতে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
বিবৃতিতে জিয়া সাইবার ফোর্স ( জেডসিএফ) এর দায়িত্বশীল নেতারা বলেন, রামিম খান টিটু দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে আসছেন। তার ওপর হামলা শুধু একজন সংগঠকের ওপর আঘাত নয়, বরং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপরও আঘাত। তারা আরও বলেন, যে কোনো বিরোধের সমাধান আলোচনার মাধ্যমে হওয়া উচিত, সহিংসতার মাধ্যমে নয়।
নেতৃবৃন্দরা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত হামলাকারীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান কসবা উপজেলা প্রশাসনের নিকট। পাশাপাশি আহত রামিম খান টিটুর দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।