পটুয়াখালী জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য আলোচনা সভা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। পটুয়াখালীর ইতিহাসে অন্যতম সেরা ও বৈচিত্র্যময় এই আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক ড. মুহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক ড. মুহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী বলেন:
"রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলামের আদর্শ আমাদের হৃদয়ে ধারণ করতে হবে। তাঁদের আদর্শকে শুধুমাত্র নির্দিষ্ট অনুষ্ঠানের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। এই মহান ব্যক্তিদের জীবনদর্শন ও কর্মতৎপরতায় উজ্জীবিত হয়ে আমাদের এবং আমাদের সন্তানদের আগামীর পথে এগিয়ে যেতে হবে।"
আজ সন্ধ্যা ৭টায় পটুয়াখালী জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন:
জুয়েল রানা, স্থানীয় সরকার উপ-সচিব ও পটুয়াখালী পৌর প্রশাসক।
তারেক হাওলাদার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি)।
মাসুদ উল আলম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক)।
মহসিন উদ্দিন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব)।
এছাড়াও বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের আমির নাজমুল আহসান, এবং বিএনপি, এনসিপি ও গণঅধিকার পরিষদের জেলা পর্যায়ের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ। রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ তাদের বক্তব্যে বর্তমান জেলা প্রশাসকের প্রশাসনিক সাফল্যের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং জেলা প্রশাসনের এমন ব্যতিক্রমী ও নান্দনিক আয়োজনের সাধুবাদ জানান।
আলোচনা সভা শেষে জেলা শিল্পকলা একাডেমির শিল্পীদের অংশগ্রহণে এক মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। রবীন্দ্র ও নজরুল সংগীত, আবৃত্তি এবং নৃত্যের ছন্দে বিমোহিত হন উপস্থিত দর্শকরা। জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা ও সর্বস্তরের মানুষ গভীর রাত পর্যন্ত এই অনুষ্ঠান উপভোগ করেন।
উপস্থিত সুধীজন ও সাধারণ মানুষ এই আয়োজনকে পটুয়াখালীর ইতিহাসের অন্যতম সেরা আয়োজন হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। এমন সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক চর্চা অব্যাহত রাখার জন্য তারা জেলা প্রশাসনকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।