২৬ এপ্রিল, ২০২৬

সিলেটের কৃতি সন্তান দেলওয়ার হোসেন—টাওয়ার হ্যামলেটসের উইভার্স ওয়ার্ডে ‘আস্থা ও পরিবর্তনের’ প্রতীক

সিলেটের কৃতি সন্তান দেলওয়ার হোসেন—টাওয়ার হ্যামলেটসের উইভার্স ওয়ার্ডে ‘আস্থা ও পরিবর্তনের’ প্রতীক

ব্রিটেনের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আবারও প্রবাসী বাংলাদেশিদের সক্রিয় অংশগ্রহণের চিত্র সামনে এসেছে। আগামী ৭ মে ইংল্যান্ডের Tower Hamlets-এর উইভার্স ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে লেবার পার্টির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সিলেটের কৃতি সন্তান মোঃ দেলওয়ার হোসেন। ইতোমধ্যে তিনি স্থানীয় কমিউনিটিতে ‘আস্থা ও পরিবর্তনের প্রতীক’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন।

 

দেলওয়ার হোসেনের শিকড় বাংলাদেশের Sylhet সদর উপজেলার ৮নং কান্দিগাঁও ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের ঘোপাল মনোহরপুর নয়াবাড়ী গ্রামে। তিনি সাবেক চেয়ারম্যান সিরাজুর রহমানের বড় ছেলে। ছোটবেলা থেকেই সমাজসেবামূলক মূল্যবোধে বেড়ে ওঠা দেলওয়ার আজ সেই আদর্শ নিয়েই যুক্তরাজ্যের কমিউনিটিতে কাজ করে যাচ্ছেন।

 

দীর্ঘদিন ধরে তিনি উইভার্স ওয়ার্ডে সপরিবারে বসবাস করছেন। পেশাগত জীবনে রিটেইল বিজনেস ম্যানেজমেন্টে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে তার, এবং বর্তমানে তিনি একটি স্থানীয় হাসপাতালে মানবসম্পদ (HR) বিভাগে কর্মরত।

 

কমিউনিটি উন্নয়নে তার সম্পৃক্ততা বহুমুখী। শুধু যুক্তরাজ্যেই নয়, বাংলাদেশেও তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সঙ্গে কাজ করেছেন—যা তার দীর্ঘদিনের সামাজিক অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন।

 

এবারের নির্বাচনে লেবার পার্টির হয়ে একই ওয়ার্ডে তার সঙ্গে প্রার্থী হয়েছেন আমিনা আলী এবং মেয়র পদে প্রার্থী জনাব সিরাজুল ইসলাম। পুরো টিমটি উইভার্স ওয়ার্ডের সার্বিক উন্নয়নে একযোগে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

 

নির্বাচনকে সামনে রেখে দেলওয়ার হোসেন ও তার টিম ইতোমধ্যেই জোরদার প্রচারণা চালাচ্ছেন। প্রতিদিন তারা স্থানীয় বাসিন্দাদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে সমস্যার কথা শুনছেন এবং সমাধানের আশ্বাস দিচ্ছেন।

 

স্থানীয়দের প্রত্যাশা—এবার তারা এমন প্রতিনিধিকে নির্বাচিত করতে চান, যিনি বাস্তব সমস্যাগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবেন। বিশেষ করে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, পরিচ্ছন্নতা, হাউজিং সংকট, পার্কিং সমস্যা এবং বাসাবাড়ির প্রয়োজনীয় মেরামতে বিলম্ব—এসব বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ দেখতে চান তারা।

 

এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় দেলওয়ার হোসেন, আমিনা আলী এবং মেয়র প্রার্থী সিরাজুল ইসলাম অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করার অঙ্গীকার করেছেন। তাদের লক্ষ্য একটি নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন ও বসবাসযোগ্য ওয়ার্ড গড়ে তোলা।

 

এখন দেখার বিষয়—৭ মে’র নির্বাচনে উইভার্স ওয়ার্ডের বাসিন্দারা কাকে তাদের আস্থার প্রতীক হিসেবে বেছে নেন।